ভারতীয় পোশাকে (Indian Attire) প্রবেশ করা যাবে না দিল্লি রেস্তোরাঁয় (Delhi Restaurant)। চুড়িদার পরে রেস্তোঁরায় গেলে সেই মহিলাকে ঢুকতে দেওয়া হবে না বলে জানানো হয় দিল্লির একটি রেস্তোরাঁয়। এমনই একটি ঘটনার জেরে জোর তরজা শুরু হয়েছে। যেখানে দিল্লির টুবাটা নামে একটি রেস্তোরাঁয় এক দম্পতিকে বাইরে দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়।
ওই রেস্তোরাঁর তরফে জানানো হয় যে , ভারতীয় পোশাক পরে সেখানে প্রবেশ করা যাবে না। যা নিয়ে ওই মাঝ বয়সী দম্পতি অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তাঁদের সঙ্গে যোগ দেন রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় আরও এক ব্যক্তি। তাঁরা প্রশ্ন করেন, এটা কি লন্ডন যে ভারতীয় পোশাক পরে কাউকে ঢুকতে নিষেধ করা হচ্ছে। ভারতীয় পোশাকে কেন রেস্তোরাঁয় প্রবেশ করা যাবে না বলে প্রশ্ন তোলেন তাঁরা। শুধু তাই নয়, লন্ডনের মত জায়গাতেও যেখানে ভারতীয় পোশাক পরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়, সেখানে দেশের ভিতরে এই ধরনের কথা বলা হবে কেন বলে প্রশ্ন তোলেন তাঁরা। সবকিছু মিলিয়ে ওই দম্পতিকে ভারতীয় পোশাক পরে রেস্তোরাঁয় প্রবেশ করতে না দেওয়ায়, তা নিয়ে জোর তরজা শুরু হয়ে যায়। এসবের পাশাপাশি ভারতের রাষ্ট্রপতি একজন মহিলা এবং দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীও একজন মহিলা। তাঁরা যদি ওই রেস্তোরাঁয় যান, তাহলে তাঁদেরও কি ঢুকতে দেওয়া হবে না বলে প্রশ্ন তোলেন সংশ্লিষ্ট দম্পতি। গত ৩ অগাস্ট দিল্লির পীতমপুরা এলাকায় ওই ঘটনা ঘটলে, তা নিয়ে শুরু হয় তরজা সামাজিক মাধ্যমে।
দিল্লির ওই রেস্তোরাঁ নিয়ে যখন তরজা চলছে, সেই সময় সেখানকার মালিক প্রকাশ্যে আসতে বাধ্য হন। তিনি দাবি করেন, এমন কোনও বিষয় হয়নি। গত ৩ অগাস্ট অর্থাৎ রবিবার যখন ওই দম্পতি আসেন, তখন সেখানে ভিড় ছিল। তাই হয়ত, কোনও বাকবিতণ্ডা হয়েছে। তবে এই রেস্তোরাঁ খোলা হয়েছে পরিবার পরিজনদের নিয়ে আসার জন্য। তা যে পোশাকই হোক না কেন। যে কোনও ধরনের ভদ্র পোশাক পরে ওই রেস্তোরাঁয় কেউ প্রবেশ করতে গেলে, কাউকে বাধা দেওয়া হয় না বলে পালটা দাবি করেন সেখানকার মালিক। তবু বিতর্ক চলতে থাকে যা ইতিমধ্যেই ভাইরাল নেট পাড়ায় ।